ভণ্টি অ' ভণ্টি

ভণ্টি অ’ ভণ্টি
ৰচনা কাল : ১৯৬৯
 
ককায়েক : ভণ্টি অ’ ভণ্টি ডেকা এজন পালোঁ
                 তোৰ কাৰণে চালোঁ
                 কইনা সজাই উলিয়াই তোক
                 দিম বুলি ভাবিলোঁ
                তই বা কি কৱ ভনী, তই কিনো কৱ ?
ভনী        :  বিয়া
ককায়েক : অঁ বিয়া
                কচোন কি কৱ ?
ভনী        : (নিমাত)
ককায়েক: তই নেমাত কিয় ভণ্টি ?
                মুখ ঘূৰালি কিয়
                লাজত ৰঙাপৰি ভণ্টী জঠৰ হলি কিয় ?
ভনী        : অ ককাইদেউ, মোৰ স্নেহৰ ককাউদেউ
                 কিনো জগৰ লগালোঁ মই ঘৰৰ পৰা খেদিছ ৷
                যৌৱন কালেই কাল হ’ল মোক বোজা বুলি ভাবিছ
ককায়েক: নহয় ভণ্টি, পাগলী তই মহা আঁকৰী
                নাৰী হ’লেই লাগে ভণ্টি এজন জীৱন লগৰী
ভনী        : চিনা নহয় জনা নহয় কোন ডেকাক বা চালি
                বিয়া দিয়াৰ আগতে তই মোকতো নুসুধিলি
ককায়েক: এৰা ভণ্টি , মোৰ দোষ ক্ষেমিবি এইবাৰ
                 হয়তো তই মন পাইছ অন্য কাৰোবাৰ
                নতুবা কিবা পাঙি থৈছ ক কথাষাৰ
ভনী        : স্নেহৰ ককাইদেউ, কওঁ, সুধিছ যেতিয়া
                জাগীৰোডৰ ল’ৰা এজন বৰ ধুনীয়া
               চিলিক মিলত মেকানিকৰ চাকৰি কৰিছে
              যোৱা বছৰ বাছত আমাৰ চিনাজনা হৈছে
              আৰু নকওঁ যা, তই ভাবি চা
ককায়েক: হেঁ? জাগীৰোডৰ? জাগীৰোডৰ তেওঁ
                 ভয় নাখাবি, নামটো কচোন পিতাইক নকওঁ ৷
ভনী       : শুন তেনে নাম তাওঁৰ হেমন্ত শইকীয়া
                মনে প্রাণে পণ কৰিছোঁ তেওঁকে সপিম হিয়া
ককায়েক: কি ভণ্টি কি কলি? হেমন্ত শইকীয়া
                 বিধিৰ লিখন বিচিত্র, সেই শইকীয়াক চালোঁ
                 মইতো জনা নাছিলোঁ তোৰ মনৰ দৰা পালোঁ
ভনী        : তোৰ গুণকে গায়েই থাকিম ওৰে জীৱনটো
           মোৰ স্নেহৰ ককাইদেউটো
              যুগ যুগৰ সাধনাতহে এনে ককাই পায়
               যি ভনীৰ কথাবোৰক মৰমেৰে চায়
ককায়েক : (তেন্তে) বিয়াখন পাতোঁ ভণ্টি,
                 মোৰ আশীষ লবি
                 (পিছে) শোকে খুন্দা মাৰিছে তই পতি গৃহে যাবি
                 কাহানিবা আমি যদি কিবা দোষ কৰিছোঁ
                নিজ গুণে পাহৰিবি, ক্ষমাহে মাগিছোঁ ৷